অবশেষে বন্ধ হচ্ছে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায়

দিদার, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

প্রকাশিতঃ ১৯ জুলাই ২০১৯ সময়ঃ রাত ২ঃ৩৭
অবশেষে বন্ধ হচ্ছে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায়
অবশেষে বন্ধ হচ্ছে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায়

 

দিদার, বিশেষ প্রতিনিধি: 

অবশেষে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায় নিয়ে সিডিএ এবং চসিকের দ্বন্দ্বের অবসান হয়েছে। নগরীর ফ্লাইওভারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব হস্তান্তর হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাছে।ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে।

মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সেই চিঠিতে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) নির্মিত লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের টোল আদায় না করার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। সেই সাথে চট্টগ্রামবাসীর প্রত্যাশিত স্বপ্ন ও  পূর্ণ হয়েছে। চট্টগ্রামবাসীর দাবি আদায়ে যানজট নিরসনের জন্য নগরীর সবচেয়ে দীর্ঘতম আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার কে টোল মুক্ত করার জন্য প্রথম থেকেই নগর অভিভাবক আ জ ম নাছির উদ্দিন কাজ করে যাচ্ছিলেন। অবশেষে নগর পিতার সেই স্বপ্ন ও বাস্তবায়ন হয়েছে।

গত মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের (সিটি কর্পোরেশন শাখা-২) উপ সচিব এমদাদুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) পাঠানো হয়। সেই

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘লালখান বাজার থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত ৬ দশমিক ২ কিলোমিটারের ফ্লাইওভার থেকে টোল আদায় করার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই এবং প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপিতে টোল আদায়ের বিষয়টিও উল্লেখ নেই।

অপরদিকে চট্টগ্রাম নগরীর স্থানীয় জনগণ এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ টোল আদায়ের বিরোধিতা করেছেন। তাই আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে টোল আদায় সমীচিন হবে না বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমতাবস্থায় ফ্লাইওভারটির রক্ষণাবেক্ষণ সহ যাবতীয় দেখাশোনার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনূকুলে হস্তান্তর করা হলে সিটি কর্পোরেশন টোল আদায় ছাড়াই নিজস্ব তহবিল থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে। এমনকি ইতিপূর্বেও এ ব্যাপারে চসিকের পক্ষ থেকেও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার নির্মাণের পর থেকে সিডিএ আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার থেকে টোল আদায়ের উদ্যোগ নিলে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের বিরোধীতার মুখে পড়েন। পাশাপাশি সমস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অবস্থান নিতে দেখা যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কে।

সিডিএ ও চসিকের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেলে পরে এ ব্যাপারে চসিকের মতামত জানতে চায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। পরিশেষে চসিকের মতামতের গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে তার উপর ভিত্তি করে পরামর্শ প্রদান করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

বার্তা জগৎ২৪/ এম এ 

 

 

 

Share on: