আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক কে এই সায়েম খান?

বার্তাজগৎ২৪ ডেস্ক:

প্রকাশিতঃ ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ঃ রাত ৮ঃ১৪
আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক কে এই সায়েম খান?
আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক কে এই সায়েম খান?

ফেসবুকের পাতা থেকে:

সবচেয়ে কম বয়সে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা হলেন ছাত্রলীগের গত কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সায়েম খান। সায়েম খান মূলত আলোচনায় আসেন গত কমিটি অর্থাৎ সোহাগ- জাকির কমিটির কিছু বৈষম্য অসাংবিধানিক অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করে।

একটা কমিটিকে শুধু ফেসবুকে লেখালেখি করে যে ধসিয়ে দেওয়া যায়, তা এই সায়েম খান, মেহেদী হাসান রনিদের মত কিছু ছাত্রনেতাদের কল্যাণে দেখতে পেয়েছিলাম।

তখনই মূলত সারাদেশের আদর্শিক ছাত্রনেতাদের কাছে সায়েম খান হয়ে ওঠেন একটা আস্থার নাম ঠিকানা। লেখালেখি করেই এই লোকটা গত দুই বছরে অসাধারণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।

কিন্তু আওয়ামী লীগের কমিটিতে কেন?

জীবনে একবার সুযোগ পেয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনে বক্তব্য দেওয়ার। বক্তব্য রাখার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিরবে নিভৃতে গভীর দৃষ্টিতে তার বক্তব্য শুনেছিলেন। সেই থেকে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি মেধাবী ছাত্রলীগ নেতা সায়েম খান হয়ে ওঠেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন তাকে ছাত্রলীগের সভাপতি করতে কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত তার বয়স শেষ হয়ে যায়। যার ফলস্বরূপ তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে এই সায়েম খানের প্রতি খোঁজ খবর নিতে থাকেন।ছাত্রলীগ থেকে বেরিয়ে সায়েম খান কাজ করেছেন আওয়ামী লীগের ডাটাবেজ টিমে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার সম্পর্কে যার কাছেই  খোঁজ খবর নিতেন তাকে সবাই একবাক্যে ভালো বলতেন। একজন সায়েম খানের শত্রুও তাকে মেধাবী, গবেষণা বিশ্লেষক, আলোচক বলবেন এটা নিঃসন্দেহে। 

আসলে মেধা, মননশক্তি, প্রজ্ঞা, সততা, আদর্শ থাকলে এবং তা যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে আনা যায় তাহলে আজ হোক কাল হোক মাননীয় নেত্রী তার মূল্যায়ন করেন।

আজ সারাদেশে সবার কাছে টপ অফ টপিক এ কোন সায়েম খান? 

যে ছেলেটি বিসিএসের মতন লোভনীয় জায়গায় প্রথম শ্রেণির চাকরি সমাজসেবার সহকারী পরিচালক পদে চাকরি হওয়ার পরেও যোগদান করেন নি শুধু মাত্র এই রাজনীতি করার জন্য। 

মহামান্য রাষ্ট্রপতি গতবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বক্তব্যে বলেছিলেন আপনারা রাজনীতি করতে হলে বিসিএস এর লোভ ছেড়ে সরাসরি রাজনীতিতে আসেন; আপনি চাকরিও করবেন আবার রিটায়ার্ড করে রাজনীতিতে যোগদান করবেন তাহলে প্রকৃত রাজনীতি বিদেরা তো তাদের অবস্থা থেকে পিছিয়ে পড়বে আপনাদের অর্থ ও যোগাযোগের কাছে। 

সায়েম খান সেই ঝুঁকিই নিয়েছেন। বিসিএসে প্রথম শ্রেণির চাকরি সমাজসেবার সহকারী পরিচালক পদে চাকরির মতন জায়গা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা পরিবার ও সমাজের সাথে কত বড় যুদ্ধ করতে হয় সবাই এটা উপলব্ধি করে দেখেন। 

যাইহোক এই পার্টিতে বহু সংখ্যক মেধাবী যোগ্য প্রজ্ঞাবান সৎ আদর্শের সায়েম খানেরা আছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে যদি তারা আসতে পারতেন তাহলে বহু সংখ্যক অপদার্থ এই দল থেকে বিদায় হয়ে যেতেন। দালালি না করে, এ নেতা সে নেতার বাড়ি বাড়ি বারান্দায় দাঁড়িয়ে না থেকে যে রাজনীতি করা যায় এই পদের মূল্যায়ন হওয়ার পর বিশ্বাস হলো। 

সবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই দুঃসময়ে সায়েম খানের মতন একজন তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক উদ্যোক্তাকে উপ-দপ্তর সম্পাদক করেছেন এটা মাঠের প্রকৃত অবস্থা তার কাছে পৌঁছাতে আরও সুদৃঢ় হবে। 

আশাকরি আমাদের একজন সহকর্মীর এমন সাফল্য শত শত আদর্শের কর্মী কে জাগ্রত করবে অনুপ্রাণিত করবে এই ভেবে হয়তো সফলতা আসবে, আসবেই। 

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত 

Share on: