"নির্বাচনকালীন সময়ে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব"

বার্তা জগৎ২৪ ডেস্ক

প্রকাশিতঃ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সময়ঃ দুপুর ১২ঃ৩০
"নির্বাচনকালীন সময়ে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব"
"নির্বাচনকালীন সময়ে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব"

 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি মেহেদী হাসান।এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং পল্টন থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৩১ জুলাই দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন হিসাবে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য ছাত্রলীগ মাঠে কাজ করবে। আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে, ছাত্রলীগের নির্বাচনমুখী বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন বার্তা জগৎ২৪ ডটকমের সাথে। পাঠকদের সুবিধার্থে সেই কথোপকথন হুবহু তুলে দেওয়া হল:

 

 

প্রঃ আগামী জাতীয় নির্বাচনে জনমত কোন দলের পক্ষে থাকবে বলে আপনি মনে করেন?

উঃ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আমি মনে করি জনমত উন্নয়নের ও শান্তির পথে থাকবে এবং সে পথ হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার পথ।যেহেতু স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির কাণ্ডারী, জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ একটি মধ্যম আয়ের দেশ। সুতরাং জনমত অবশ্যই ভিশন ২১ পূরণের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগের পক্ষে থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

 

প্রঃ নির্বাচনে ছাত্রলীগের ভূমিকা কি হওয়া উচিৎ?

উঃ দেশের প্রয়োজনে ছাত্রলীগ ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ৬৬ এর ৬ দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধসহ সকল সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ছাত্রলীগ দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম সংগঠন যে সংগঠন বুকের রক্ত দিয়ে ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং একারণেই বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ছাত্রলীগ অতীতের ন্যায় এবারো জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে এবং একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে তরুণ সমাজকে ধাবিত করতে কাজ করবে। আমরা চাই অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও সরকার গঠন করুক।

 

প্রঃ 'কোটা সংস্কার' আন্দোলন ও 'নিরাপদ সড়ক চাই' আন্দোলন আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে কি?

উঃ না, আমি তা মনে করি না।বিএনপি-জামাত তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর ভর করে যে ষড়যন্ত্র করেছিল তা ইতোমধ্যেই প্রমাণিত এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ছাত্রদের দাবী যা যা মানা উচিৎ মেনে নিয়েছেন। আশাকরি বিএনপি-জামাত আর ষড়যন্ত্র করে কিছু করতে পারবে না।

 

প্রঃ নির্বাচনকালীন সময়ে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ কিভাবে তা মোকাবেলা করবে?

উঃ জাতিয় পার্টি, বিএনপির পার্টি অফিসসহ আরো অনেক রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিস মহানগর দক্ষিণে। ফলে মহানগরের এই অংশটা বেশি সেন্সিটিভ। এখানে অনেক জামায়াত, বিএনপির লোকজন আছে। নির্বাচনের সময়ে নির্বাচন কমিশন থাকবে। তারপরেও ষড়যন্ত্র বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে আমাদের অবস্থান থেকে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য যা করা প্রয়োজন তাই করবো।

 

প্রঃ সাধারণ ছাত্রদের প্রতি একজন ছাত্রনেতা হিসেবে আপনার আহ্বান কি?

উঃ সাধারণ ছাত্রদের প্রতি আমার আহ্বান তোমরা লেখাপড়াটা আগে করবে, যাতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে একটি সোনার বাংলাদেশ গড়া যায় এবং আমরা সৎ থাকবো। কোনো দুর্নীতি, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজীর সাথে জড়িত হওয়া যাবে না। ভাইলীগ নয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ হবে একটি অখণ্ড পরিবার। আমি আশা করবো বঙ্গবন্ধু এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ বুকে নিয়ে আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবো। ছাত্রসমাজের মাঝে যেন এই প্রত্যয় থাকে।

 

বার্তা জগৎ২৪ ডটকমের পক্ষে সাক্ষাৎকারটি সংগ্রহ করেছেন এম.এ.সায়েম।

 

Share on: